মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

২০১৭ সালের গণহত্যার পর ফের রাখাইন অবরোধ জান্তার

ডেইলী বেঙ্গল গেজেট রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩ ৮:০৮ pm

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে ২০১৭ সালের মতোই আবারও একইভাবে গণহত্যা ও বর্বরতার পথ বেছে নিয়েছে। রাজ্যটি অবরোধ করে টার্গেট করা হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকদের। বিদ্রোহী ও সাধারণ মানুষকে দুর্বল করতে আরোপ করা হয়েছে ‘চার কাট’ কৌশল। এর মাধ্যমে খাদ্য আর ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। হুহু করে বাড়ছে দাম। খবর ইরাবতির।

‘চার কাট’ কৌশল মূলত মিয়ানমারের প্রথম সামরিক স্বৈরশাসক নে উইন চালু করেছিলেন। এর মানে– অর্থ, খাদ্য, বুদ্ধিমত্তা এবং নিয়োগে বিদ্রোহীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করা।

গণতন্ত্রকামী সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলোর জোট ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে পরিবহন রুট বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, উপকূলীয় রাখাইন রাজ্যে রাস্তা ও নৌপথ অবরোধ করেছে জান্তা সেনারা। সেনাদের খাদ্য ও অস্ত্র সরবরাহ করতে নৌবাহিনীর ওপর নির্ভর করে সরকার। মূলত আরাকান আর্মি সেনাদের ওপর আক্রমণ শুরু করার পরপরই সরকার শহর ও গ্রামের মধ্যে রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

এবার শুধু উত্তরে নয়, রাখাইনের দক্ষিণেও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সামরিক বাহিনী। তারা রাখাইন রাজ্যকে ইয়াঙ্গুন এবং দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযোগকারী তিনটি প্রধান সড়ক অবরোধ করেছে। অবশ্য, শহরগুলোর বাইরে রাখাইনের বিভিন্ন এলাকা আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাখাইনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শাসকগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অংশের পাশাপাশি রাজ্যের শহরগুলোর মধ্যে খাদ্য ও ওষুধের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

এদিকে, প্রতিরোধ বাহিনী জানিয়েছে, কায়াহ রাজ্যের রাজধানী লোইকাউতে প্রতিরোধ অভিযান অপারেশন ১১১১ শুরু হওয়ার পর থেকে গত ১০ দিনে অন্তত ২০০ সেনা নিহত হয়েছে। কারেনি ন্যাশনালিটিজ ডিফেন্স ফোর্সের (কেএনডিএফ) চেয়ারম্যান খুন বেদু জানান, জান্তা সেনাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২০০টিরও বেশি অ্যাসল্ট রাইফেল এবং ভারী অস্ত্র জব্দ করার কথা জানান তিনি। একইসঙ্গে মিত্র প্রতিরোধ বাহিনীর অন্তত ৪৫ জন সদস্য যুদ্ধে নিহত হয়েছে বলেও জানায় কেএনডিএফ।

আরো

© All rights reserved © 2023-2024 dailybengalgazette

Developer Design Host BD